১৫ মার্চ, ২০২২

Hajj, Sura Bakara 193-211

 (2:193)

    তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো যতক্ষণ না ফিতনা নির্মূল হয়ে যায় এবং দ্বীন একমাত্র আল্লাহ‌র জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয় তাহলে জেনে রাখো যালেমদের ছাড়া আর কারোর ওপর হস্তক্ষেপ করা বৈধ নয়।

(2:194)

   হারাম মাসের বিনিময় হারাম মাসই হতে পারে এবং সমস্ত মর্যাদা সমপর্যায়ের বিনিময়ের অধিকারী হবে। কাজেই যে ব্যক্তি তোমার ওপর হস্তক্ষেপ করবে তুমিও তার ওপর ঠিক তেমনিভাবে হস্তক্ষেপ করো। তবে আল্লাহকে ভয় করতে থাকো এবং একথা জেনে রাখো যে, আল্লাহ‌ তাদের সাথে আছেন যারা তাঁর নির্ধারিত সীমালংঘন করা থেকে বিরত থাকে।

(2:195)

   আল্লাহর পথে ব্যয় করো এবং নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না। অনুগ্রহ প্রদর্শনের পথ অবলম্বন করো, কেননা আল্লাহ‌ অনুগ্রহ প্রদর্শনকারীদেরকে ভালোবাসেন।

(2:196)

    আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যখন হজ্ব ও উমরাহ করার নিয়ত করো তখন তা পূর্ণ করো। আর যদি কোথাও আটকা পড়ো তাহলে যে কুরবানী তোমাদের আয়ত্বাধীন হয় তাই আল্লাহর উদ্দেশ্যে পেশ করো। আর কুরবানী তার নিজের জায়গায় পৌঁছে না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা নিজেদের মাথা মুণ্ডন করো না। তবে যে ব্যক্তি রোগগ্রস্ত হয় অথবা যার মাথায় কোন কষ্ট থাকে এবং সেজন্য মাথা মুণ্ডন না করে তাহলে তার ‘ফিদিয়া’ হিসেবে রোযা রাখা বা সাদকা দেয়া অথবা কুরবানী করা উচিত। তারপর যদি তোমাদের নিরাপত্তা অর্জিত হয় (এবং তোমরা হজ্বের আগে মক্কায় পৌঁছে যাও) তাহলে তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি হজ্ব্বের সময় আসা পর্যন্ত উমরাহ্‌র সুযোগ লাভ করে সে যেন সামর্থ অনুযায়ী কুরবানী করে। আর যদি কুরবানীর যোগাড় না হয়, তাহলে হজ্ব্বের যামানায় তিনটি রোযা এবং সাতটি রোযা ঘরে ফিরে গিয়ে, এভাবে পুরো দশটি রোযা যেন রাখে। এই সুবিধে তাদের জন্য যাদের বাড়ী-ঘর মসজিদে হারামের কাছাকাছি নয়। আল্লাহর এ সমস্ত বিধানের বিরোধিতা করা থেকে দূরে থাকো এবং ভালোভাবে জেনে নাও আল্লাহ‌ কঠিন শাস্তি প্রদানকারী।

(2:197)

    হজ্বের মাসগুলো সবার জানা। যে ব্যক্তি এই নির্দিষ্ট মাসগুলোতে হজ্ব করার নিয়ত করে, তার জেনে রাখা উচিত, হজ্বের সময়ে সে যেন যৌন সম্ভোগ, দুষ্কর্ম ও ঝগড়া –বিবাদে লিপ্ত না হয়। আর যা কিছু সৎকাজ তোমরা করবে আল্লাহ‌ তা জানেন। হজ্ব সফরের জন্য পাথেয় সঙ্গে নিয়ে যাও আর সবচেয়ে ভালো পাথেয় হচ্ছে তাকওয়া। কাজেই হে বুদ্ধিমানেরা! আমার নাফরমানী করা থেকে বিরত থাকো।

(2:198)

    আর হজ্বের সাথে সাথে তোমরা যদি তোমাদের রবের অনুগ্রহের সন্ধান করতে থাকো তাহলে তাতে কোন দোষ নেই। তারপর আরাফাত থেকে অগ্রসর হয়ে ‘মাশআরুল হারাম’ (মুয্‌দালিফা) এর কাছে থেমে আল্লাহ‌কে স্মরণ করো এবং এমনভাবে স্মরণ করো যেভাবে স্মরণ করার জন্য তিনি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। নয়তো ইতিপূর্বে তোমরা তো ছিলে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত।

(2:199)

    তারপর যেখান থেকে আর সবাই ফিরে আসে তোমরাও সেখান থেকে ফিরে এসো এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিঃসন্দেহে তিনি ক্ষমাশীল ও করুণাময়।

(2:200)

   অতঃপর যখন তোমরা নিজেদের হজ্বের অনুষ্ঠানাদি সম্পন্ন করবে তখন আল্লাহকে এমনভাবে স্মরণ করবে যেমন ইতিপূর্বে তোমাদের বাপ-দাদাদেরকে স্মরণ করতে বরং তার চেয়ে অনেক বেশী করে স্মরণ করবে। (তবে আল্লাহকে স্মরণকারী লোকদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে) তাদের মধ্যে কেউ এমন আছে যে বলে, হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় সবকিছু দিয়ে দাও। এই ধরনের লোকের জন্য আখেরাতে কোন অংশ নেই।

(2:201)

   আবার কেউ বলে, হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দাও এবং আখেরাতেও কল্যাণ দাও এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদের বাঁচাও।

(2:202)

   এই ধরনের লোকেরা নিজেদের উপার্জন অনুযায়ী (উভয় স্থানে) অংশ পাবে। মূলত হিসেব সম্পন্ন করতে আল্লাহর একটুও বিলন্ব হয় না।

(2:203)

    এ এই হাতেগোণা কয়েকটি দিন, এ দিন কটি তোমাদের আল্লাহর স্মরণে অতিবাহিত করতে হবে। যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দুদিনে ফিরে আসে, তাতে কোন ক্ষতি নেই। আর যদি কেউ একটু বেশীক্ষণ অবস্থান করে ফিরে আসে তবে তাতেও কোন ক্ষতি নেই। তবে শর্ত হচ্ছে, এই দিনগুলো তাকে তাকওয়ার সাথে অতিবাহিত করতে হবে। আল্লাহর নাফরমানী করা থেকে বিরত থাকো এবং খুব ভালোভাবে জেনে রাখো, একদিন তাঁর দরবারে তোমাদের হাযির হতে হবে।

(2:204)

  মানুষের মধ্যে এমন লোক আছে পার্থিব জীবনে যার কথা তোমার কাছে বড়ই চমৎকার মনে হয় এবং নিজের সদিচ্ছার ব্যাপারে সে বারবার আল্লাহকে সাক্ষী মানে। কিন্তু আসলে সে সত্যের নিকৃষ্টতম শত্রু।

(2:205)

  যখন সে কর্তৃত্ব লাভ করে, পৃথিবীতে তার সমস্ত প্রচেষ্টা-সাধনা নিয়োজিত করে বিপর্যয় সৃষ্টি এবং শস্যক্ষেত ও মানব বংশ ধ্বংস করার কাজে। অথচ আল্লাহ‌ (যাকে সে সাক্ষী মেনেছিল) বিপর্যয় মোটেই পছন্দ করেন না।

(2:206)

 আর যখন তাকে বলা হয়, আল্লাহকে ভয় করো তখন তার আত্মাভিমান তাকে পাপের পথে প্রতিষ্ঠিত করে দেয়, এই ধরনের লোকের জন্য জাহান্নামই যথেষ্ট এবং সেটি নিকৃষ্টতম আবাস।

(2:207)

  অন্যদিকে মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অভিযানে যে নিজের প্রাণ সমর্পণ করে। এই ধরনের বান্দার ওপর আল্লাহ‌ অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান।

(2:208)

  হে ঈমানদারগণ! তোমরা পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের অনুসারী হয়ো না, কেননা সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।

(2:209)

  তোমাদের কাছে যে সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন হিদায়াত এসে গেছে তা লাভ করার পরও যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে তাহলে ভালোভাবে জেনে রাখো আল্লাহ‌ মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

(2:210)

   (এই সমস্ত উপদেশ ও হিদায়াতের পরও যদি লোকেরা সোজা পথে না চলে, তাহলে) তারা কি এখন এই অপেক্ষায় বসে আছে যে, আল্লাহ‌ মেঘমালার ছায়া দিয়ে ফেরেশতাদের বিপুল জমায়েত সঙ্গে নিয়ে নিজেই সামনে এসে যাবেন এবং তখন সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে? সমস্ত ব্যাপার তো শেষ পর্যন্ত আল্লাহরই সামনে উপস্থাপিত হবে।

(2:211)

    বনী ইসরাঈলকে জিজ্ঞেস করো, কেমন সুস্পষ্ট নিদর্শনগুলো আমি তাদেরকে দেখিয়েছি! আবার তাদেরকে একথাও জিজ্ঞেস করো আল্লাহ‌র নিয়ামত লাভ করার পর যে জাতি তাকে দুর্ভাগ্যে পরিণত করে তাকে আল্লাহ‌ কেমন কঠিন শাস্তিদান করেন।



Sura Bakara 62-192

 ২-বাক্বারা

(2:62)

অনুবাদ:    নিশ্চিতভাবে জেনে রেখো, যারা শেষ নবীর প্রতি ঈমান আনে কিংবা ইহুদি, খৃষ্টান বা সাবি তাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তিই আল্লাহ‌ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনবে এবং সৎকাজ করবে তার প্রতিদান রয়েছে তাদের রবের কাছে এবং তাদের জন্য কোন ভয় ও মর্মবেদনার অবকাশ নেই।

(2:63)

২ মার্চ, ২০২২

বেরসিকের বাল্যকাল, শিক্ষা ও বর্তমান

 বেরসিক কলেজ জীবনে সহপাঠীদের দেওয়া নাম।তাই এ নামেই আজকের এ লেখা। 



 শিশুকাল Childhood ঃ 

গ্রামের সবুজ  ঘন বনে ঘেরা ছোট কুটিরে কোন এক সোমবারে (মায়ের মুখ থেকে শুনা)  জন্ম বেরসিকের।সম্ভবতঃ ১৯৬৩ সন।বয়স যখন ৪/৫ বছর ভর্তি করা হল মাদ্রাসায়  ইসলামী শিক্ষার সাথে বাল্য শিক্ষা। পরে হেলা দাদা নজরুল এর আব্বার সহযোগিতায় নজরুলের সাাথে  সোনাপুরে অবস্্থিত৷ Majbari Primary School এ  পড়াশোনা শুরু ১৯৬৭ সালে।

ছোট বেলা থেকে নিয়মিত নামাজ পড়ার চেষ্টা করেছি। 

 দাদা,বাবা প্রথম শ্রেণীতে পড়া কালিন একদিন পর পর কলেরায় মারা যান। মা এবং দু'বছরের বড়ো ভাই এ-র তদারকিতে সংসার চলতে থাকে ,সংসারে সদস্য ছয় ভাই, দুবোন । তিন মাস পরে ছোট ভাই মারা যায়। ১৯৭৩ সনে বন্যায় ফসলের ক্ষতি হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। আল্লাহ সে সময় তাদের সহায় হন।

পরিচয় :-

দাদা মিয়া ইদ্রিস আলী নোয়াখালীর বরতমান লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা মিয়া জান মুন্সি একজন আলেম ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি পাল্কিতে বেড়াতেন এবং ছোটো খাট আকার মানুষ ছিলেন। তার ভাতিজা বসু মিয়া চাচার বদোউলতে তার কবর দেখার সোউভাগ্য হয়েছিল।

 দাদী পাগল হওয়ায় ১৯৪৮ সনের রায়টের পর দাদা তার ছোট মেয়েকে সুবর্নের চরে পালক দিয়ে ছেলে হাফিজুর রহমান ও আব্দুর রব এবং মেয়ে হাজেরা কে নিয়ে ফরিদপুর এর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির মেছুয়াঘাটা গ্রামে যা দক্ষিণ বাড়ি মৌজায় বাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। বড়ো মেয়ে দক্ষিণ অভিরাম্পুর, চান্দ্র গঞ্জ শশুর বাড়ি রয়ে যায়।

বেরসিকেরা পাচ ভাই দুই বোন ছিল। মা অনেক কষ্ট করে সংসার পরিচালনা করতেন। সেই সুবাদে আল্লাহর ইচ্ছায় খাবার অভাব ছিল না।


স্কুল জীবন (School Life) : 

বাড়ী থেকে দুই কিলোমিটার দুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে পড়াশুনা। প্রতিবারের মতো এবারও শ্রেনীতে প্রথম ও ৫ম শ্রেনীর বৃত্তি পেল। পায়ে জুতা ছাড়াই চলল ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত।  এবার ও বৃত্তি পেল। অবদান মা, বড়ো ভাই এবং শিক্ষক গণের এবং আল্লাহর ইচ্ছাই বড়। বেরসিক অনেকটা বোকা ও ছিল।
এস এস সি পরীক্ষার সময় কোন এক পীর সাহেব আসলেন স্কুলের সবাইকে বলা হল হুজুরকে ছালাম কর। বেরসিক ও করল। তার প্রিয় কাশেম স্যার ছিলেন এ কাজের ভূমিকায়। যা হোক পরীক্ষা হয়ে গেল। রেজাল্ট প্রথম বিভাগ।


কলেজ জীবন(College Life):


 তার এটা একটু কষ্টের জীবন ছিল।
১৯৭৯ সনে  এসএসসি পাশ করার পরে রাজবাড়ী সরকারী কলেজে ভর্তি হল। আত্নীয় বাড়ি, হোস্টেল এবং লজিং(সূর্যনগর)  থেকে ক্লাস করার ৪ মাস পরে বুঝল এভাবে পড়াশুনা সম্ভব নয়। বালিয়াকান্দি কলেজের অফার ফ্রি থাকা খাওয়া সহ লেখাপড়া করা যাবে।যে কথা সেই কাজ বালিয়াকান্দি কলেজে পুনরায় ভর্তি। ক্লাস চলতে থাকল  ৭ কিলোমিটার পায়ে হেটে বা বাইসাইকেলে। তার পরে একটি লজিং যা তিন মাস থাকা সম্ভব হয়েছিল।তারপর আত্নীয় আবুল হাসেম ভাইদের বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হিসাবে থাকা।শাজাহান, শিরিন এদের নিকট থেকে ও কিছু সহযোগিতা নিতে হয়েছিল। 

৭ কিলোমিটার হেঁটে, বাইসাইকেলে, পেয়িং গেস্ট থেকে অনেক কষ্টে  এইস এস সি  পরীক্ষা হয়ে গেল। ফলাফল দ্বিতীয় বিভাগ। এ্ই ফলাফলে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছিল সহপাঠী   কিরন চৌধুরী। তবে কিরনের বোন মুসলিম হলেও কিরন অমুসলিম অবস্থায় মারা যাওয়ায় বেরসিকের মাঝে মাঝে  মন খারাপ হয়ে যায়।
এর পর অনার্সে ভর্তি কাহিনী আরও মজার। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দুইবার ফোন করেছিল পরিচিত একজনকে। ফলাফল জানায়নি। 

 পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে  :-   পাংশা  বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে   বি-এসসি ও ঢাকা টিটি কলেজ হতে বি-এড করে শিক্ষকতা করতে থাকে। হাড়ীভাংগা বিদ্যালয়, হুরুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,পাংশা বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয় এ  চাকুরির পর  সরকারী অগ্রনী ব্যাংকে  চাকুরী হওয়ায় যোগ দেয় চাকুরীতে ১৯৮৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর । আশা চাকুরী শেষে অবসর ভাতা পাওয়া যাবে।এখন পেনশনের জন্য টেনশন হল কোন হারে পাবে। সরকার মহা বিপদে। একবার বলছে, পুরো পাওনা একবারে, কখনো বলছে অর্ধেক নগদ অর্ধেক কিস্তিতে আবার কখনো বলছে পুরোটাই কিস্তিতে দিবে।

এখন অবসরে।


১ মার্চ, ২০২২

আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ -কবিতাআল কুরআন,সুরা ইয়া‌ছিন~ ২ হ‌তে ৮৩ অবলম্ব‌নে)

 ‌লেখক ~ বের‌সিক

 (আল কুরআন,সুরা ইয়া‌ছিন~ ২ হ‌তে ৮৩ অবলম্ব‌নে)


পরম দাতা দয়ালু আল্লাহর না‌মে ।

জ্ঞানগর্ভ কুরআ‌নের কসম ক‌রে ,ব‌লেন র‌বে

 রাসুল তোমায় কিতাব দিলাম

 অসাবধানী‌দের বোঝা‌তে হ‌বে ।

২১ ফেব, ২০২২

আল্লাহর কোন নিয়ামত অস্বীকার করবে?

 (আল কুরআন সুরা আররহমান অবলম্বনে)

   পরম করুণাময় আল্লাহ মেহেরবান 

সৃষ্টি করে মানুষ আল্লাহ শিখালেন কুরআন।

শিখিয়ে কথা, দিয়ে সূর্য চন্দ্র, 

 দিয়েছেন দিবারাত্রি হিসাবের জ্ঞান। 

১৬ ফেব, ২০২২

রেজা ভাইয়ের বদলী জনিত বিদায়



আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহ

রেজা ভাইকে বিদায় জানাবার কান্না।

কত কথা আজ মনে পড়ে যায়

দীর্ঘ চাকুরী জীবনের ছায়ায় ।

Feartured Post

ছাত্রজীবনে সফলতার উপায়

 ছাত্রজীবনে সফলতা শুধু ভালো রেজাল্ট নয়—এটা অভ্যাস, মনোভাব আর ধারাবাহিকতার ওপর নির্ভর করে। নিচে ৭টি কার্যকর উপায় দেওয়া হলো: ১. স্পষ্ট লক্ষ্য ...

জনপ্রিয় পোস্ট