১৪ আগ, ২০২৬

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে অনলাইন ডেস্ক

 

কলকাঠি



রাজনীতি

ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জামায়াতের

dhaka-post

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১ আগস্ট ২০২৪, ১৭:৩৩

ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জামায়াতের

জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ ও ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’কে নির্বাহী আদেশবলে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে চলমান আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাচ্ছে।


বিজ্ঞাপন



তিনি বলেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে সরকার জামায়াত ও শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেই জামায়াতে ইসলামীর মূল কাজ ইসলামের দাওয়াত, মানুষের চরিত্র সংশোধন ও ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার কাজ কখনো বন্ধ হবে না। জামায়াতে ইসলামীর সকল স্তরের জনশক্তিকে ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানাচ্ছি।


রাজনীতি নিষিদ্ধ করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।





আরও পড়ুন


নিষিদ্ধ হলো জামায়াত-শিবির

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের পর ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার

পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে

বিবৃতিতে তিনি বলেন,  সরকার ছাত্রদের অরাজনৈতিক আন্দোলনকে দমন করার জন্য দেশে দলীয় ক্যাডার ও রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে গণহত্যা চালায়। সরকারের এই গণহত্যার বিরুদ্ধে দেশের শিক্ষক সমাজ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায় এই গণহত্যার নিন্দা জানিয়েছে। চলমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা ও সরকার নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই নির্বাহী আদেশবলে জামায়াত ও শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন



তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী আন্দোলন। স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবতার কল্যাণে জামায়াত ভূমিকা পালন করেছে। দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জামায়াত। দেশে আইনের শাসন, ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য প্রতিটি নির্বাচনে জামায়াত অংশগ্রহণ করেছে ও নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছে। জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিচালনায় সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। বন্যাসহ দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে জামায়াত সবসময়ই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।


দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতির উদ্ভাবক জামায়াতে ইসলামী। এই কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে পরপর তিন বার সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে ভূমিকা পালন করেছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় জামায়াতের ছয়জন নেতাকে জঙ্গিদের বোমা হামলায় প্রাণ হারাতে হয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ ও নৈরাজ্যবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।


তিনি বলেন, সরকার বিগত ১৬ বছর যাবত জামায়াতের উপর জুলুম-নিপীড়ন চালিয়েছে। জামায়াত ধৈর্যের সঙ্গে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। ফলে জামায়াতের প্রতি মানুষের সহানুভূতি, ভালোবাসা ও সমর্থন বেড়েছে। জামায়াত কোটি কোটি মানুষের সংগঠন। বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকদের সভা-সমাবেশ ও সংগঠন করার অধিকার দিয়েছে। সরকার ‘জামায়াতে ইসলামী’ ও ‘ইসলামী ছাত্রশিবির’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। আমরা সরকারের এই অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক ও অন্যায় সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


তিনি বলেন, সরকার দেশে গণহত্যা চালিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর দোষ চাপানোর যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। তদ্রূপ সরকার বিভিন্ন অঘটন ঘটিয়ে জামায়াতের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা চালাতে পারে। এই ব্যাপারে দেশবাসী সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকারের পাতা ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।


তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে। যুগে যুগে ইসলামের উপর কোনো আঘাতই এ আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারসহ কারো আঘাতেই ইসলামী আন্দোলন স্তব্ধ হবে না। আমি দেশের প্রতিটি নাগরিককে সরকারের গণহত্যা, মানুষের অধিকার হরণ, জুলুম-নিপীড়ন ও ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ ও ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’কে নিষিদ্ধ করার অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশ, প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠন এবং বিশ্ববিবেককে বাংলাদেশের ডামি সরকারের সকল অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। 


জেইউ/এসকেডি


ঢাকাপোস্টচ্যানেল ফলো করুন

জামায়াত

বিজ্ঞাপন




ঢাকা পোস্ট ভিডিও


আরও পড়ুন

রাজনীতি নিষিদ্ধের ইস্যু নিয়ে সহিংসতা করলে কঠোর হবে সরকার

রাজনীতি নিষিদ্ধের ইস্যু নিয়ে সহিংসতা করলে কঠোর হবে সরকার

ফরিদপুরে জামায়াতের অফিসে তল্লাশি, ১২টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

ফরিদপুরে জামায়াতের অফিসে তল্লাশি, ১২টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার


মেট্রোরেল স্টেশনে নাশকতা : রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বপন ও ফারুকী 

মেট্রোরেল স্টেশনে নাশকতা : রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বপন ও ফারুকী 

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের পর ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের পর ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার


####৳৳




জাতীয়


প্রকাশ: ০১ আগস্ট, ২০২৪ ১৭:৪৮

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

 অনলাইন ডেস্ক


জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

সংগৃহীত ছবি


জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ হলো।


আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ধারা অনুযায়ী জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।



অবশ্য জামায়াতে ইসলামী একটি যুদ্ধাপরাধী দল। বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কয়েকটি মামলার রায়ে জামায়াতে ইসলামীকে যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও ওই আইনে শুধু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ব্যক্তির অপরাধের বিচার করার কথা বলা হয়েছে। এ কারণে দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচার করা যায়নি।


অবশ্য নির্বাচন কমিশন জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে। ফলে দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। এ নিয়ে জামায়াতের করা মামলা ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। 

সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী নাশকতার জন্য জামায়াত–শিবিরকে দায়ী করেছে সরকার।


এর পরই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকের পর সরকার নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরু করে।  

নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্তকরণ:

[১৮। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রহিয়াছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে।


(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন ব্যক্তি বা সত্তাকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে বা তফসিল হইতে বাদ দিতে পারিবে অথবা অন্য কোনভাবে তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।


]

পুনঃনিরীক্ষা (Review):

১৯। (১) ধারা ১৮ এর অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ 41[ব্যক্তি বা সত্তা], আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, উহার বিরুদ্ধে লিখিতভাবে, যুক্তি উপস্থাপনপূর্বক, সরকারের নিকট পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করিতে পারিবে এবং সরকার, আবেদনকারীর শুনানী গ্রহণপূর্বক42[এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি মোতাবেক], আবেদন প্রাপ্তির তারিখ হইতে নব্বই দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে। 


(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পুনঃনিরীক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে, উক্ত সংক্ষুব্ধ 43[ব্যক্তি বা সত্তা] আবেদন নামঞ্জুর হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করিতে পারিবে।


(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উপ-ধারা (১) এর অধীন দায়েরকৃত পুনঃনিরীক্ষার দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তির জন্য একটি তিন সদস্য বিশিষ্ট পুনঃনিরীক্ষা কমিটি (Review Committee) গঠন করিবে।


তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ :

[২০। (১) যদি কোন ব্যক্তিকে ধারা ১৮ এর বিধান অনুসারে তালিকাভুক্ত করা হয় বা কোন সত্তাকে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহা হইলে, এই আইনে বর্ণিত অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াও সরকার, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, নিম্নবর্ণিত যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে, যথা:-


(ক) উক্ত সত্তার কার্যালয়, যদি থাকে, বন্ধ করিয়া দিবে;

(খ) ব্যাংক এবং অন্যান্য হিসাব, যদি থাকে, অবরুদ্ধ করিবে, এবং উহার সকল সম্পত্তি জব্দ বা আটক করিবে;

(গ) নিষিদ্ধ সত্তার সদস্যদের দেশ ত্যাগে বাধা নিষেধ আরোপ করিবে;

 (ঘ) সকল প্রকার প্রচারপত্র, পোস্টার, ব্যানার অথবা মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা অন্যান্য উপকরণ বাজেয়াপ্ত করিবে; এবং

 (ঙ) নিষিদ্ধ সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যে কোন প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা, মুদ্রণ বা প্রচারণা, সংবাদ সম্মেলন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করিবে।


(২) নিষিদ্ধ সত্তা উহার আয় ও ব্যয়ের হিসাব এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক মনোনীত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে এবং আয়ের সকল উৎস প্রকাশ করিবে।


 (৩) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সংঘটনের সম্পত্তি অবৈধভাবে অর্জিত হইয়াছে অথবা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত সম্পত্তি আদালত কর্তৃক রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হইবে]


উল্লেখ্য, আদালতের রায়ে নির্বাচন কমিশন ২০১৩ সালে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে। জামায়াতের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের পক্ষের আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে দলটির নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির রায়ও কার্যকর করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচার করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। কিন্তু কয়েক বছর আগে সংশোধনী প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করা হলেও পরে সে বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি।


parallax ad

news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


প্রাসঙ্গিক

সম্পর্কিত খবর

গেজেটে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

গেজেটে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

জামায়াত-শিবিরকে ‘নিষিদ্ধ সত্তা’ তালিকাভুক্ত করল সরকার

জামায়াত-শিবিরকে ‘নিষিদ্ধ সত্তা’ তালিকাভুক্ত করল সরকার

জাতীয়


প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:৩৮

গেজেটে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

গেজেটে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

নির্বাহী আদেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও দলটির ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলটিকে নিষিদ্ধ করে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, পরে প্রজ্ঞাপনটি গেজেটে প্রকাশিত হয়।


রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গেজেটে স্বাক্ষর করেছেন সচিব জাহাংগীর আলম। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাম্প্রতিককালে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সরাসরি এবং উসকানির মাধ্যমে জড়িত ছিল বলে গেজেটে উল্লেখ আছে।


আরো পড়ুন

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন


 

প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়, যেহেতু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্তসহ কয়েকটি মামলার রায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংগঠিত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।


যেহেতু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রিট পিটিশনে প্রদত্ত রায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত/প্রাপ্ত নিবন্ধ বাতিল করে দিয়েছে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের ওই রায়কে বহাল রেখেছেন। যেহেতু সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাম্প্রতিককালে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সরাসরি এবং উসকানির মাধ্যমে জড়িত ছিল। যেহেতু সরকার বিশ্বাস করে যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সব অঙ্গসংগঠন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।


আরো পড়ুন

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ, গেজেট প্রকাশ

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ, গেজেট প্রকাশ


 

সেহেতু সরকার, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ধারা ১৮ (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সব অঙ্গসংগঠনকে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল। এই আইনের তফসিল-২-এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সব অঙ্গসংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করল।


এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়।


উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।


দলটির ছাত্রসংগঠনের নাম ইসলামী ছাত্রশিবির।

news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

প্রাসঙ্গিক

জাতীয়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:২৭

মুক্তি পেয়ে সারজিসের পোস্ট ‘এ লড়াই চলবে’


মুক্তি পেয়ে সারজিসের পোস্ট ‘এ লড়াই চলবে’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজত থেকে মুক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। 


বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিকেলে দেওয়া ওই পোস্টে সারজিস লিখেছেন, ‘কথা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করবেন না, মামলা দিয়ে হয়রানি করবেন না। আপনারা কথা রাখেননি। আপনারা আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর আঘাত করেছেন।


সারা দেশে আমার স্কুল-কলেজের ভাই-বোনদের ওপর লাঠিচার্জ করেছেন। যাকে ইচ্ছা তাকে জেলে পাঠিয়েছেন। আন্দোলনকারীকে খুঁজে না পেলে বাসা থেকে ভাইকে তুলে নিয়েছেন, বাবাকে হুমকি দিয়েছেন। মাশরুর তার উদাহরণ।

সারজিস আরো লিখেছেন, ‘যারা একটিবারের জন্যও এ আন্দোলনে এসেছেন তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেন না, গ্রেপ্তারের ভয়ে থাকেন। এমন অনেকে আছেন, যাদের পরিবার এখনো তাদের খোঁজ পায়নি। এমন তো হওয়া উচিত ছিল না! কোথায় মহাখালীর সেতু ভবন আর কোথায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়! অথচ আপনারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মহাখালীর সেতু ভবনে হামলার জন্য গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেন। সঙ্গে আছেন আসিফ মাহতাব স্যার, মাশরুরসহ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অসংখ্য শিক্ষার্থী।


তিনি আরো লিখেছেন, ‘রিকশা থেকে নামিয়ে প্রিজনভ্যানে তুলছেন, বাসা থেকে তুলে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমার বোনদের রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছেন। কী ভাবছেন? এভাবেই সব কিছু শেষ হয়ে যাবে? ছয় দিনের ডিবি হেফাজত দিয়ে ছয়জনকে আটকে রাখা যায়, কিন্তু এই বাংলাদেশের পুরো তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আটকে রাখবেন? দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন প্রতিনিয়ত সেগুলো কিভাবে নিবৃত করবেন। ‘


‘পুলিশ ভাইদের উদ্দেশে একটা বলি। এ দেশের মানুষের ক্ষোভ আপনাদের ওপর নয়, পুলিশের ওপর নয়।


এই ক্ষোভ আপনার গায়ের ওই পোশাকটার ওপর। যে পোশাকটাকে ইউজ করে বছরের পর বছর আপনাদের দিয়ে এ দেশের অসংখ্য মানুষকে দমন-পীড়ন করা হয়েছে, অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে, জেল আর আদালতের প্রাঙ্গণে চক্কর কাটানো হয়েছে, সেই পোশাকটার ওপর। ওই পোশাকটা ছেড়ে আসুন আমাদের সাথে, বুকে টেনে নেব।’

‘এ পথ যেহেতু সত্যের পথ, ন্যায়ের পথ, তাই যেকোনো কিছু মোকাবেলা করতে আমরা বিন্দুমাত্র বিচলিত নই ৷ যত দিন না এ বাংলাদেশ আন্দোলনকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে; গণগ্রেপ্তার, জুলুম, নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে; তত দিন এ লড়াই চলবে ৷’


news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

প্রাসঙ্গিক

জাতীয়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:০৮

পরিবেশের উন্নয়নে ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল ম্যাপিং’ করা হচ্ছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবেশের উন্নয়নে ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল ম্যাপিং’ করা হচ্ছে

ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় প্রতিরোধ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল ম্যাপিং’ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এটি দেশের পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ এবং  আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতিমালা গ্রহণে সহায়ক হবে।


বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বন অধিদপ্তরের ‘টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল)’ শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 


সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘এ কার্যক্রমের আওতায় পার্বত্য অঞ্চল, হ্রদ, হাওর, বাঁওড়, বিল, ঝিলসহ প্রাকৃতিক জলাভূমির একটি বিশদ মানচিত্র প্রস্তুত করা হবে।


পাহাড় ও পাহাড়ি অঞ্চল এবং প্রাকৃতিক জলাভূমির ন্যাচারাল ক্যাপিটালের ডাটাবেইস সংরক্ষণ, দৃশ্যায়ন, প্রক্রিয়াকরণ ও অনুসন্ধানের জন্য একটি এমআইএস সিস্টেম প্রস্তুত করা হবে।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট এলাকার প্রাকৃতিক মূলধন বোঝার মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্রের পরিষেবা, কোন লোকদের বর্তমানে এই পরিষেবাগুলোর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং কোথায় সম্পদ তৈরি বা বর্ধিতকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত তা বোঝা যাবে। প্রাকৃতিক মূলধনের ম্যাপিং স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে এর বর্তমান ও সম্ভাব্য মূল্যকে একীভূত করতে একটি কার্যকর কাঠামো তৈরিতে সহায়ক হবে।’


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম, বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায় এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান।


সভায় মন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

প্রাসঙ্গিক

জাতীয়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:০৫

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ফাইল ছবি/কালের কণ্ঠ

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ‘প্রার্থনা ও ছাত্র-জনতার গণমিছিল’ নামে কর্মসূচি পালন করবে তারা।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল কাদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।


সমন্বয়ক জানিয়েছেন, জাতির এই দুর্দিনে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে শহীদ, আহত, পঙ্গু ও গ্রেপ্তার হওয়া সকলের স্মরণে আগামীকাল দেশব্যাপী 'প্রার্থনা ও ছাত্র জনতার গণমিছিল' কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


গণহত্যা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এবং শিক্ষার্থীদের ৯দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামীকাল শুক্রবার মসজিদে জুমার নামাজ শেষে দোয়া, শহীদদের কবর যিয়ারত, মন্দির, গির্জাসহ সকল উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন ও জুমার নামাজ শেষে ছাত্র জনতার গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

আরো পড়ুন

ডিবি কার্যালয়ে ৩২ ঘণ্টার অনশনে ছিলেন ৬ সমন্বয়ক!

ডিবি কার্যালয়ে ৩২ ঘণ্টার অনশনে ছিলেন ৬ সমন্বয়ক!


 

বাংলাদেশের সকলস্তরের নাগরিকদকে আগামীকালের 'প্রার্থনা ও ছাত্র জনতার গণমিছিল'' কর্মসূচিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ্রহনের আহ্বান জানানো হয়েছে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমাদের প্রাণের জন্মভূমি আজ এক মহাসংকট কাল অতিক্রম করছে। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা হামলা পরিচালনা করে শান্তি প্রিয় ছাত্র-জনতার রক্তে রাজপথকে রঞ্জিত করছে।


কারো পরিচয় শিক্ষার্থী হলে তার ফোন চেক করে অত্যাচার নির্যাতন চালানোর মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড অথচ আজ ছাত্র হওয়া যেন অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক সমাজও রক্ষা পাচ্ছে না তাদের নির্যাতনের হাত থেকে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করতেও ছাড়ছে না।

শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের সমর্থনকারী ছাত্র জনতা কাউকে পেলেই গ্রেপ্তার ও এর মাধ্যমে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। পরবর্তীতে বাছাই করে পাড়া মহল্লায় রেইড দিয়ে গণ গ্রেপ্তারের নামে গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তারা। গুম করার হুমকি দিয়ে আদায় করছে মোটা অংকের অর্থ।

আরো পড়ুন

ডিবি থেকে ফিরে যে ঘোষণা দিলেন সমন্বয়ক হাসনাত

ডিবি থেকে ফিরে যে ঘোষণা দিলেন সমন্বয়ক হাসনাত


 

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন সমন্বয়কসহ অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ কেন্দ্রীয় ৬ সমন্বয়ককে ডিবি কার্যালয় থেকে ছেড়ে দিলেও এখনো ডাকসুর সাবেক সমাজ সেবা সম্পাদক আক্তার হোসেন, সমন্বয়ক আরিফ সোহেলসহ অসংখ্য ছাত্র জনতাকে কারাগার ও রিমান্ডে নির্যাতন করছে।


জুলুম নির্যাতনে নিষ্পেষিত ছাত্র জনতা মুক্তির প্রহর গুনছে। অসংখ্য ছাত্র জনতা হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে। অনেক ছাত্র ও সাধারণ মানুষ চোখ, কান, হাত, পা কিংবা শরীরের অন্য কোন অঙ্গ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে।

আজ ছাত্রসমাজ ঘরে শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। প্রতিমুহূর্তে কাটাতে হচ্ছে গ্রেপ্তার ও গুম হওয়ার আতঙ্কে। শহীদ ও গুম হয়ে যাওয়া মানুষের স্বজনের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠছে বাংলার আকাশ বাতাস। এ ছাড়াও আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলীর ওপর ক্যাম্পাসের ভেতরে হামলা করেছে পুলিশ নামক সন্ত্রাসীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা শেহরীন আমিন মোনামী ও নুসরাত জাহান চৌধুরীর গায়েও হাত তুলেছে পুলিশের কিছু কর্মকর্তা। এই ঘৃণ্য হামলার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

প্রাসঙ্গিক

সর্বশেষ সংবাদ

মারশাঁয় মুগ্ধ কিংবদন্তি ফেলপস

 ২০ সেকেন্ড আগে |খেলা

শোকের মাসে যে আয়োজন নাড়া দিল হৃদয়ে

 ৪২ সেকেন্ড আগে |সারাবাংলা

`৮ জোড়া নিষ্পাপ চোখ আমাকে ঘুমাতে দেয় না’

 ৩ মিনিট আগে |বিনোদন

ঘুমালে স্বচ্ছ হয়ে যায় যে প্রাণী

 ৩ মিনিট আগে |বিজ্ঞান ও ফিচার

গেজেটে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

 ৮ মিনিট আগে |জাতীয়

মুক্তি পেয়ে সারজিসের পোস্ট ‘এ লড়াই চলবে’

 ১৯ মিনিট আগে |জাতীয়

পরিবেশের উন্নয়নে ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল ম্যাপিং’ করা হচ্ছে

 ৩৯ মিনিট আগে |জাতীয়

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

 ৪০ মিনিট আগে |রাজধানী

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

 ৪২ মিনিট আগে |জাতীয়

বাড়িতে রক্তের শর্করার মাত্রা মাপার সময় কী কী মেনে চলবেন

 ৪৫ মিনিট আগে |জীবনযাপন

সব শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

 ৫১ মিনিট আগে |জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে ওহাবি আন্দোলনের উত্থান যেভাবে

 ৫৫ মিনিট আগে |ইসলামী জীবন

ঐতিহ্য ধরে রাখতে ১০ লাখ খেজুরের চারা রোপণ

 ৫৬ মিনিট আগে |সারাবাংলা

সচিবালয়ের ক্লিনিক ভবনে আগুন

 ৫৮ মিনিট আগে |রাজধানী

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

 ৫৮ মিনিট আগে |জাতীয়

ডিবি থেকে ফিরে যে ঘোষণা দিলেন সমন্বয়ক হাসনাত

 ৫৮ মিনিট আগে |জাতীয়

রাতে ভালো ঘুম না হলে কী করবেন

 ১ ঘণ্টা আগে |জীবনযাপন

ক্রপ সার্কেল : এলিয়েনের চিহ্ন নাকি মানুষের আজব খেয়াল?

 ১ ঘণ্টা আগে |বিজ্ঞান ও ফিচার

তদন্ত কমিশনকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

 ১ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পরিহার করতে বলল ঢাবির নীল দল

 ১ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

ছেলে জুনায়েদের সাফল্যে পার্টি দিলেন আমির খান

 ১ ঘণ্টা আগে |বিনোদন

আল্লাহ মুমিনের যেমন অন্তর পছন্দ করেন

 ১ ঘণ্টা আগে |ইসলামী জীবন

গলায়-হাতে শিকল বেঁধে লক্ষ্মীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

 ১ ঘণ্টা আগে |সারাবাংলা

গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দাবি জাতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি আন্দোলনের

 ১ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

নিজের রেকর্ড ভেঙেছেন, এটা বিশ্বাসই হচ্ছে না সোনাজয়ী সাঁতারুর

 ১ ঘণ্টা আগে |খেলা

জামায়াত-শিবিরকে ‘নিষিদ্ধ সত্তা’ তালিকাভুক্ত করল সরকার

 ১ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

মৌমাছির বিস্ময়কর সমাজব্যবস্থা

 ১ ঘণ্টা আগে |বিজ্ঞান ও ফিচার

রাবিতে শিক্ষার্থী হয়রানি রোধে সহায়তা সেল গঠন

 ১ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

‘মারতে পারলেই ইতিহাস’, হত্যার পরিকল্পনায় বলেন লরেন্স বিষ্ণোই

 ১ ঘণ্টা আগে |বিনোদন

কোটা আন্দোলনের ছদ্মবেশে জঙ্গিরা হিংস্র দাঁত দেখিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

 ১ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

 ২৩ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ডিবি থেকে হারুন অর রশীদকে বদলি

 ২২ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ডিবির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিপ্লব সরকার ও সঞ্জিত কুমার

 ১৯ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ডিবির প্রধান হলেন আশরাফুজ্জামান

 ২২ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

শিক্ষকদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক করল মন্ত্রণালয়

 ২০ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ, গেজেট প্রকাশ

 ২ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ইসরায়েলে হামলার নির্দেশ দিলেন খামেনি

 ৮ ঘণ্টা আগে |বিশ্ব

ডিবি কার্যালয়ে ৩২ ঘণ্টার অনশনে ছিলেন ৬ সমন্বয়ক!

 ৩ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে যা লিখেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্জাকের ছেলে

 ৫ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

পুলিশের গুলি করার বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 ২১ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

 ৩৮ মিনিট আগে |জাতীয়

জানি বারবার আঘাত আসবে, পরোয়া করি না: প্রধানমন্ত্রী

 ৪ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

 ৫৪ মিনিট আগে |জাতীয়

কোটা আন্দোলন নিয়ে পোস্ট, তোপের মুখে পবিপ্রবি অধ্যাপক

 ১৭ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

সাড়ে ৯ বছরের সংসারের ইতি টানলেন আরিফিন শুভ

 ২০ ঘণ্টা আগে |বিনোদন

কোটা আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

 ৪ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

গাড়ির কাগজের মেয়াদ বাড়াল বিআরটিএ

 ২০ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

‘অনেক সাধনার পরে কোনো ছেলের ভাগ্যে এমন মেয়ে জোটে’ আজ হলো বিচ্ছেদ

 ১৯ ঘণ্টা আগে |বিনোদন

কিছুক্ষণের মধ্যেই জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন: আইনমন্ত্রী

 ৪ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

প্রক্রিয়া চলছে, যেকোনো সময় জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের ঘোষণা

 ২৩ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

মার্চ ফর জাস্টিস ঘিরে উত্তেজনা

 ১০ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

ডিবি থেকে ফিরে যে ঘোষণা দিলেন সমন্বয়ক হাসনাত

 ৫৪ মিনিট আগে |জাতীয়

পুলিশের কাছ থেকে ঢাবির দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনলেন শিক্ষকরা

 ২৩ ঘণ্টা আগে |রাজধানী

হানিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, যা বলছে যুক্তরাষ্ট্র

 ৮ ঘণ্টা আগে |বিশ্ব

১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

 ৭ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক সিরিজ

 ২২ ঘণ্টা আগে |খেলা

শ্রীলঙ্কার মতো তাণ্ডব চালিয়েছে, ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রী

 ২৩ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

শিগগিরই ব্যারাকে ফিরবে আর্মি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 ২২ ঘণ্টা আগে |জাতীয়

পুরো আগস্ট মাসে কালো ব্যাচ পরতে হবে শিক্ষক-কর্মচারীদের

 ৭ ঘণ্টা আগে |শিক্ষা

চিরুনি অভিযান অব্যাহত : ১২ দিনে দেশে প্রায় ৯ হাজার গ্রেপ্তার

 ৯ ঘণ্টা আগে |জাতীয়


মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

play.google kalerkanthoapple app kalerkantho

অনুসরণ করুন

threads

আজকের পত্রিকা

প্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাখবরশুভসংঘদেশে দেশে

অনলাইন

জাতীয়সারাবাংলাবিশ্ববাণিজ্যবিনোদনখেলাধুলা

বিজ্ঞাপন

মূল্য তালিকা (প্রিন্ট ভার্সন)

প্রধান সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন


আমাদের সম্পর্কেশর্তাবলীগোপনীয়তা নীতিযোগাযোগ করুন

স্বত্ব © ২০২৪ কালের কণ্ঠ


ভারতবর্ষ কে সাজিয়েছে?

 *ভারত বর্ষ সাজিয়েছে মুসলিমরা এবং স্বাধীনতাও এনেছে মুসলিমরা!তাই ভারত মুসলিম শাসকদের কাছেই নিরাপদ যেখানে ধর্মের নামে আর হানাহানি থাকবে না ইনশাআল্লাহ*


*হিন্দু মা ও ছেলের কিছু  কথোপকথন।*

হার্টের ব্লক

Collected :

ব্লক (করোনারি আর্টারিতে কোলেস্টেরল জমা) পুরোপুরি দূর করার কোনো সহজ উপায় নেই, তবে এটি প্রতিরোধ ও কমাতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যেমন সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানসিক চাপ কমিয়ে আনা জরুরি। গুরুতর ক্ষেত্রে, যেমন সম্পূর্ণ হার্ট ব্লকের জন্য পেসমেকার বা বিটা-ব্লকার জাতীয় ঔষধের প্রয়োজন হতে পারে। 

আত্ম কথা

 শিশু কাল:- 


১ আগ, ২০২৬

আজমা ও কাশিতে খাবার

আদা, মধু, লেবুর রস, কুসুম গরম পানি, এবং রসুন বুকে জমে থাকা কফ ও সর্দি কমাতে দারুণ কার্যকর। এসব খাবার গলার কফ তরল করতে এবং গলা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। [1, 2, 3, 4]
উপকারী খাবার ও পানীয়

  • আদা: গলা ও বুকের কফ দূর করতে আদা চা বা কুসুম গরম পানিতে আদা ফুটিয়ে খাওয়া উপকারী।
  • মধু: গলার অস্বস্তি ও খুসখুসে ভাব কমায় এবং কফ পাতলা করতে সাহায্য করে।
  • কুসুম গরম পানি: শরীরের আদ্রতা বজায় রাখে এবং কফ জমতে বাধা দেয়।
  • লেবু ও রসুন: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান কফ ও ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে। [1, 2, 3, 4, 5]

 অ্যাজমা ও কাশির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একটি নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস ও বর্জনীয় খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো। আপনার সুবিধার্থে এটি প্রিন্ট করার উপযোগী একটি ফাইল হিসেবেও উপরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

❌ যে খাবারগুলো সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলবেন (Triggers)

ফ্রিজের ঠান্ডা খাবার ও আইসক্রিম: শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে তাৎক্ষণিক কাশির বেগ বাড়ায়।

অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা-পোড়া: অ্যাসিডিটি বা রিফ্লাক্স তৈরি করে গলা ও ফুসফুসে অস্বস্তি বাড়ায়।

প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্টফুড: কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ শরীরে প্রদাহ (inflammation) সৃষ্টি করে।

প্যাকেটজাত আচার বা শুকনো ফল: এগুলোতে 'সালফাইট' থাকে, যা অনেকের অ্যাজমার তীব্রতা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার: অতিরিক্ত চিনি শরীরে শ্লেষ্মা বা কফ তৈরিতে উদ্দীপনা যোগাতে পারে।

যে খাবারগুলো নিয়মিত খাবেন (Beneficial Foods)

কুসুম গরম তরল খাবার: আদা চা, লেবু-মধু পানি এবং গরম স্যুপ গলার ভেতরের অস্বস্তি কমায়।

ভিটামিন-সি যুক্ত ফল: আমলকী, পেয়ারা বা কমলা (ফ্রিজে রাখা নয়, স্বাভাবিক তাপমাত্রার) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার: পালং শাক, বাদাম এবং ওটস শ্বাসনালীর পেশী রিল্যাক্স বা শিথিল রাখতে সাহায্য করে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি), আখরোট এবং সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের প্রদাহ কমায়।

আদা, রসুন ও পেঁয়াজ: এগুলোতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখে।

কিছু জরুরি নিয়ম

১. সবসময় খাবার ও পানি হালকা গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে খাবেন।
২. চিংড়ি, ইলিশ, পুঁইশাক বা গরুর মাংসে যদি আপনার নির্দিষ্ট অ্যালার্জি থাকে, তবে তা অবশ্যই বাদ দিন।
৩. রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে সম্পন্ন করুন, যেন অ্যাসিডিটির কারণে রাতে কাশি না বাড়ে।

১৪ জুন, ২০২৬

আল্লাহ শ্রম অনুযায়ী ফল দেন কি?

হ্যাঁ, আল্লাহ অবশ্যই মানুষের শ্রম ও প্রচেষ্টা অনুযায়ী ফল দেন। পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে, "প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে চেষ্টা করে অর্জন করে" (সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৯)। 
ইসলামের দৃষ্টিতে কর্মফল ও শ্রমের মূলনীতিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
  • চেষ্টার সঠিক মূল্যায়ন: মানুষ দুনিয়াতে যেমন আমল বা কাজ করবে, আখেরাতে ঠিক তেমনই প্রতিদান পাবে। কোনো সৎকর্মই বৃথা যায় না।
  • পূর্ণাঙ্গ হিসাব: আল্লাহ তাআলা কারো প্রতি বিন্দুমাত্র অবিচার করেন না। প্রত্যেকের কাজের পূর্ণ প্রতিফল তাকে দেওয়া হবে।
  • রহমত ও বরকত: আল্লাহ মানুষের শ্রমের চেয়েও অনেক সময় বহুগুণ বেশি রহমত ও বরকত দান করেন। 

Feartured Post

জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে অনলাইন ডেস্ক

  কলকাঠি রাজনীতি ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জামায়াতের dhaka-post জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১ আগস্ট ২০২৪, ১৭:৩৩ ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি...

জনপ্রিয় পোস্ট