পৃষ্ঠা ১
১। নামাজ পড়ে।
২। সময় মত খাবার খায়।
৩। নিজের টেবিল নিজে গোছায়।
৪। প্রাইভেট টিউটর এর কাছে নিয়মিত পড়ে।
৫। নিয়মিত স্কুলে যায়।
৬। বন্ধুদের সাথে ঝগড়া করে না।
৭।পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষা দেয়।
৮। বড়দের সন্মান করে।
৯। ছোটদের আদর করে।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, #গল্প , #কবিতা # কালেকশন বাই মো: জালাল উদ্দিন, বি,এসসি,(গণিত, পদার্থ বিদ্যা,রসায়ন বিদ্যা), বি,এড।ব্যাংকার।
১। নামাজ পড়ে।
২। সময় মত খাবার খায়।
৩। নিজের টেবিল নিজে গোছায়।
৪। প্রাইভেট টিউটর এর কাছে নিয়মিত পড়ে।
৫। নিয়মিত স্কুলে যায়।
৬। বন্ধুদের সাথে ঝগড়া করে না।
৭।পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষা দেয়।
৮। বড়দের সন্মান করে।
৯। ছোটদের আদর করে।
*ভারত বর্ষ সাজিয়েছে মুসলিমরা এবং স্বাধীনতাও এনেছে মুসলিমরা!তাই ভারত মুসলিম শাসকদের কাছেই নিরাপদ যেখানে ধর্মের নামে আর হানাহানি থাকবে না ইনশাআল্লাহ*
*হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।*
Collected :
ব্লক (করোনারি আর্টারিতে কোলেস্টেরল জমা) পুরোপুরি দূর করার কোনো সহজ উপায় নেই, তবে এটি প্রতিরোধ ও কমাতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যেমন সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানসিক চাপ কমিয়ে আনা জরুরি। গুরুতর ক্ষেত্রে, যেমন সম্পূর্ণ হার্ট ব্লকের জন্য পেসমেকার বা বিটা-ব্লকার জাতীয় ঔষধের প্রয়োজন হতে পারে।
অ্যাজমা ও কাশির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একটি নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস ও বর্জনীয় খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো। আপনার সুবিধার্থে এটি প্রিন্ট করার উপযোগী একটি ফাইল হিসেবেও উপরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
❌ যে খাবারগুলো সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলবেন (Triggers)
ফ্রিজের ঠান্ডা খাবার ও আইসক্রিম: শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে তাৎক্ষণিক কাশির বেগ বাড়ায়।
অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা-পোড়া: অ্যাসিডিটি বা রিফ্লাক্স তৈরি করে গলা ও ফুসফুসে অস্বস্তি বাড়ায়।
প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্টফুড: কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ শরীরে প্রদাহ (inflammation) সৃষ্টি করে।
প্যাকেটজাত আচার বা শুকনো ফল: এগুলোতে 'সালফাইট' থাকে, যা অনেকের অ্যাজমার তীব্রতা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার: অতিরিক্ত চিনি শরীরে শ্লেষ্মা বা কফ তৈরিতে উদ্দীপনা যোগাতে পারে।
যে খাবারগুলো নিয়মিত খাবেন (Beneficial Foods)
কুসুম গরম তরল খাবার: আদা চা, লেবু-মধু পানি এবং গরম স্যুপ গলার ভেতরের অস্বস্তি কমায়।
ভিটামিন-সি যুক্ত ফল: আমলকী, পেয়ারা বা কমলা (ফ্রিজে রাখা নয়, স্বাভাবিক তাপমাত্রার) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার: পালং শাক, বাদাম এবং ওটস শ্বাসনালীর পেশী রিল্যাক্স বা শিথিল রাখতে সাহায্য করে।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি), আখরোট এবং সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের প্রদাহ কমায়।
আদা, রসুন ও পেঁয়াজ: এগুলোতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখে।
কিছু জরুরি নিয়ম
১. সবসময় খাবার ও পানি হালকা গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে খাবেন।
২. চিংড়ি, ইলিশ, পুঁইশাক বা গরুর মাংসে যদি আপনার নির্দিষ্ট অ্যালার্জি থাকে, তবে তা অবশ্যই বাদ দিন।
৩. রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে সম্পন্ন করুন, যেন অ্যাসিডিটির কারণে রাতে কাশি না বাড়ে।
পৃষ্ঠা ১ ১। নামাজ পড়ে। ২। সময় মত খাবার খায়। ৩। নিজের টেবিল নিজে গোছায়। ৪। প্রাইভেট টিউটর এর কাছে নিয়মিত পড়ে। ৫। নিয়মিত স্কুলে যায়। ৬। বন্ধ...