৩০ জুন, ২০২৬

Jalal's Treatment

 কক্স বাজার জারনাল:

ফুসফুস ঢেকে থাকে এক ধরনের পাতলা আবরণী বা প্লুরায়ে। এতেই পানি জমে। এ রোগের নাম প্লুরাল ইফিউশন। পানি জমার রয়েছে বিভিন্ন কারণ। এসবের মধ্যে রয়েছে ফুসফুসের কিছু নিজস্ব এবং ফুসফুসের সঙ্গে সম্পর্কহীন কারণ। সাধারণত ফুসফুসের টিবি, নিউমোনিয়া, ক্যানসার, ইনফার্কশন এ জাতীয় রোগে প্লুরায় পানি জমতে পারে।

ফুসফুসের রোগের বাইরে হার্ট ফেইলিউর, লিভার সিরোসিস, নেফ্রোটিক সিন্ড্রম, কিডনি ফেইলিউর, ম্যালনিউট্রিশন, পেরিকার্ডাইটিস, লিভার অ্যাবসেসÑ এসব রোগেও ফুসফুসের প্লুরায় পানি জমতে পারে। প্লুরাল ইফিউশন হলে রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকব্যথা করে, কাশির সঙ্গে হালকা কফ অথবা জ্বর থাকতে পারে। বুকের একটি এক্স-রে করালে প্লুরাল ইফিউশন সম্পর্কে ধারণা করা যায়। তবে পানির মাত্রা খুব কম হলে আল্ট্রাসনোগ্রাম বা সিটিস্ক্যান করার প্রয়োজন হয়। এর সঙ্গে সুই দিয়ে পানি বের করে এনে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয় পানি জমার কারণ বা ধরন। অনেক সময় এ রোগে প্লুরার বায়োপসি করারও প্রয়োজন হতে পারে।

পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করেই চিকিৎসা শুরু করা হয়। যেমনÑ টিবি হওয়ার কারণে এমনটি হলে রোগীকে টিবির ওষুধ দিতে হয়। ক্যানসারের কারণে হলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করতে হয়।

ফুসফুসের বাইরের কোনো কারণে সমস্যা হলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা করে প্লুরাল ইফিউশন ভালো করা সম্ভব। অনেক সময় পানি বেশি জমলে সুই দিয়ে ফুটো করে বিশেষ পদ্ধতিতে পানি বের করে নেওয়া হয়। এতে ব্যর্থ হলে ছোট্ট অপারেশনের মাধ্যমে প্লুরায় একটি টিউব ঢুকিয়ে পানি বের করে দেওয়া হয়।



দীর্ঘদিন ধরে প্লুুরায় পানি থাকার পরও যদি চিকিৎসা শুরু করা না হয়, তা হলে প্লুরায় শক্ত আবরণ পড়ে গিয়ে তা ফুসফুসে স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বড় অপারেশনের মাধ্যমে তা সরিয়ে ফেলতে হয়। তাই কারো এ ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

লেখক : চেস্ট এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,

সহকারী অধ্যাপক, চেস্ট মেডিসিন বিভাগ
জাতীয় অ্যাজমা সেন্টার, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা

গুগল এর উপদেশ। 

৩০/০৬/২০২৬

প্রেসার ১১০/৮০ mmHg থাকা খুবই চমৎকার এবং এটি নির্দেশ করে যে প্রেসারের ওষুধটি (Telmidip) রোগীর শরীরে খুব ভালোভাবে কাজ করছে। রক্তচাপ স্বাভাবিকের মধ্যে থাকায় রোগীর স্ট্রোক বা হার্টের ঝুঁকির সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

রোগীকে সুস্থ রাখতে এখন নিচের নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি:
বর্তমান করণীয় ও যত্ন
  • ওষুধ নিয়মিত রাখা: প্রেসার স্বাভাবিক আছে দেখে কখনোই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া প্রেসারের ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না বা ডোজ কমাবেন না।
  • খাবারে লবণ নিয়ন্ত্রণ: তরকারিতে যতটুকু লবণ দেওয়া হয় তা ছাড়া পাতে বা ভাতে কোনো অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়া একদম নিষেধ।
  • ইনহেলার চালু রাখা: শ্বাসকষ্ট বা কাশির লক্ষণ না থাকলেও ইনহেলার (Bexicap) এবং স্পেসার যেভাবে নিয়মিত ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া আছে, সেভাবেই চালিয়ে যান।
দীর্ঘমেয়াদী ফলো-আপ
  • প্রেসার চার্ট তৈরি: সপ্তাহে ১-২ বার একই সময়ে রোগীর প্রেসার মেপে একটি খাতায় লিখে রাখুন, যাতে পরবর্তী পরিদর্শনে ডাক্তারকে দেখাতে পারেন।
  • পরবর্তী ডাক্তার দেখানো: যেহেতু জুনের এক্স-রে রিপোর্টে ফুসফুসে সামান্য প্রদাহ ও পানি জমার বিষয় ছিল, তাই পরবর্তী সময়ে নিয়মিত রুটিন চেকআপের অংশ হিসেবে বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞকে রিপোর্টটি একবার দেখিয়ে নেওয়া ভালো হবে।
আপনার কি রোগী সম্পর্কে আর কোনো প্রশ্ন বা জানার কিছু আছে?
দ্রষ্টব্য: এই তথ্যটি সাধারণ সচেতনতার জন্য। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্রেসার বা অ্যাজমার কোনো নিয়মিত ওষুধ বন্ধ বা পরিবর্তন করা যাবে না।







Md Jalal Uddin
আপনার দেওয়া এক্স-রে রিপোর্টটির বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
রেডিওলজি বিভাগ

রিপোর্ট বিশ্লেষণ (Findings):
  • Ill defined opacity is noted in left mid & lower zones: বাম ফুসফুসের মধ্য ও নিচের অংশে অস্পষ্ট ছোপ বা অস্বচ্ছতা দেখা যাচ্ছে।
  • Trachea is normal in position: শ্বাসনালী তার স্বাভাবিক অবস্থানে আছে।
  • Both domes of the diaphragm are normal in position and contour: ডায়াফ্রাম (বক্ষ ও উদর বিভাজক পর্দা) এর উভয় অংশই স্বাভাবিক অবস্থানে এবং আকৃতিতে আছে।
  • Left CP angle is blunt: বাম দিকের সিপি অ্যাঙ্গেল (ফুসফুসের নিচের কোণ) ঝাপসা বা ভোঁতা হয়ে গেছে।
  • Heart is normal in transverse diameter: হৃৎপিণ্ডের আকার বা ব্যাস স্বাভাবিক আছে।
  • Bony thorax reveals no abnormality: বুকের হাড়গুলোতে কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি।

মতামত (Impression):
  • Suggestive of pulmonary inflammatory lesion with mild pleural effusion: এটি ফুসফুসে প্রদাহজনিত সমস্যা (যেমন ইনফেকশন বা নিউমোনিয়া) এবং সেই সাথে ফুসফুসের চারপাশে সামান্য পানি (Pleural effusion) জমার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পরামর্শ:
রিপোর্টে ফুসফুসে সংক্রমণ এবং সামান্য পানি জমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সঠিক চিকিৎসার জন্য আপনার বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ (Chest Specialist) ডাক্তারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা উচিত। অনুগ্রহ করে ওষুধের সঠিক ডোজ এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য আপনার ডাক্তারের দেওয়া প্রেসক্রিপশন বা মূল লেবেলটি ভালোভাবে দেখে নিন।

১৮ জুন, ২০২৬

বেরসিকের খবর

 পুরি ৬ টা আনা হলো।  একটা বাকা হওয়ায়  স্ত্রী  চোখ তুলে দিতে চাইল।

স্ত্রী বললো দেখে আনতে পারলে না।

27/06/2026

বেরসিক পলিথিনে ময়লা তোলার (শুধু পলিথিন সোজা করা) অপরাধ এ কটুকথা বলার সময়  মারার জন্য হাত উঁচু করায় হাত ভেঙে দিতে চায়। স্ত্রী নিজেই কথা বন্ধ করে দেয়। 

১৪ জুন, ২০২৬

আল্লাহ শ্রম অনুযায়ী ফল দেন কি?

হ্যাঁ, আল্লাহ অবশ্যই মানুষের শ্রম ও প্রচেষ্টা অনুযায়ী ফল দেন। পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে, "প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে চেষ্টা করে অর্জন করে" (সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৯)। 
ইসলামের দৃষ্টিতে কর্মফল ও শ্রমের মূলনীতিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
  • চেষ্টার সঠিক মূল্যায়ন: মানুষ দুনিয়াতে যেমন আমল বা কাজ করবে, আখেরাতে ঠিক তেমনই প্রতিদান পাবে। কোনো সৎকর্মই বৃথা যায় না।
  • পূর্ণাঙ্গ হিসাব: আল্লাহ তাআলা কারো প্রতি বিন্দুমাত্র অবিচার করেন না। প্রত্যেকের কাজের পূর্ণ প্রতিফল তাকে দেওয়া হবে।
  • রহমত ও বরকত: আল্লাহ মানুষের শ্রমের চেয়েও অনেক সময় বহুগুণ বেশি রহমত ও বরকত দান করেন। 

১৮ এপ্রি, ২০২৬

ছাত্রজীবনে সফলতার উপায়

 ছাত্রজীবনে সফলতা শুধু ভালো রেজাল্ট নয়—এটা অভ্যাস, মনোভাব আর ধারাবাহিকতার ওপর নির্ভর করে। নিচে ৭টি কার্যকর উপায় দেওয়া হলো:

১. স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ

তুমি কী হতে চাও বা কী অর্জন করতে চাও—এটা পরিষ্কারভাবে ঠিক করো। লক্ষ্য থাকলে পড়াশোনায় ফোকাস রাখা সহজ হয়।

২. সময়ের সঠিক ব্যবহার

একটি রুটিন বানাও এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করো। অপ্রয়োজনীয় মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সময় নষ্ট কমাও।

৩. নিয়মিত পড়াশোনা

শেষ মুহূর্তে পড়ার বদলে প্রতিদিন একটু একটু করে পড়ো। এতে চাপ কমে এবং বিষয় ভালোভাবে বোঝা যায়।

৪. আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। ভুল করলে হতাশ না হয়ে সেখান থেকে শেখার চেষ্টা করো।

৫. ভালো বন্ধু নির্বাচন

যারা পড়াশোনায় মনোযোগী ও ইতিবাচক—এমন বন্ধুদের সাথে সময় কাটাও। পরিবেশ অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

৬. স্বাস্থ্য ঠিক রাখা

ভালো খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং হালকা ব্যায়াম মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। অসুস্থ থাকলে পড়াশোনাও ব্যাহত হয়।

৭. শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ রাখা

যে বিষয় বুঝতে সমস্যা হয়, শিক্ষককে জিজ্ঞেস করো। লজ্জা না পেয়ে প্রশ্ন করলে শেখা সহজ হয়।


Feartured Post

Ma & Roksana

  আপনার পাঠানো প্রেসক্রিপশনটি অধ্যাপক ডাঃ আফতাব ইউ আহমেদের, যিনি একজন নাক, কান ও গলা (ENT) বিশেষজ্ঞ [১.৬.১, ১.৬.২]। প্রেসক্রিপশনে রোগীর প্রধ...

জনপ্রিয় পোস্ট